সুনামগঞ্জ , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ , ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্দোলনের জন্য ডাক আসবে, ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তুলতে হবে চলতি বছরে পানিতে ডুবে ঝরেছে ৫২৬ শিশুর প্রাণ, থামবে কীভাবে জামায়াত জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস নাসরিন সুলতানা মেধাবৃত্তি বিতরণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কাঁচা মরিচের ‘ঝালে’ নাকাল ক্রেতা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা প্রখর রোদেও থামে না জীবনসংগ্রাম জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, আমরাও মানুষ : শফিকুর রহমান গাজী সিনড্রোম এবং তার পেছনের মনস্তত্ত্ব অয়নৃত্য’র ৩য় বর্ষপূর্তি ও বর্ষা উৎসব ‘নীল নবঘনে’ নৃত্য-সুরে বর্ষার বন্দনা, মুগ্ধ দর্শক বৃক্ষরোপণই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কার্যকর উপায়: এমপি নূরুল ইসলাম নূরুল বিনামূল্যে অর্ধেক ভাগ না দেয়ায় জলমহাল দখলের অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ দুই দশক পর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খননের পরিকল্পনা উদ্বোধনেই থমকে আছে সদর হাসপাতালের আইসিইউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদির শহরে জলাবদ্ধতাসহ নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনের দাবি অপরাধমুক্ত সুনামগঞ্জ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জামালগঞ্জে বাঁধ ভেঙে ঢুকছে পানি, প্লাবিত হচ্ছে বসতভিটা, আমন ফসল নিয়ে শঙ্কায় কৃষক জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলামী’ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবি যুবদল সভাপতির জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা

রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা

  • আপলোড সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:১৮:১০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৬-২০২৫ ০৮:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
রক্তি নদীর তীরে দখলদারদের থাবা, গড়ে উঠেছে অবৈধ স্থাপনা ছবি: নদীর পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা
স্টাফ রিপোর্টার ::
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের নিয়ামতপুর এলাকায় রক্তি নদীর তীর দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এই অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় নদীর প্রশস্থতা কমে খালে পরিণত হয়েছে। তাই নদীটি বাঁচাতে এই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিবর্গ জানান, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবৎ অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। নদীর দক্ষিণের তীর ক্রমান্বয়ে এই অবৈধ বসতিরা দখল করে আসছেন। অবৈধ স্থাপনা হিসাবে বসতঘর, ফসলি জমি রয়েছে। যার ফলে রক্তি নদী এখন খালে পরিণত হয়েছে। এই অবৈধ বসতিদের কারণে বর্ষায় হাওরের জমিতে পানির বিস্তৃতি ঘটতে বাধার সম্মুখিন হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, রক্তি নদীর দক্ষিণ তীরে অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠায় এখন তা গ্রামে পরিণত হয়েছে। নদী সংকীর্ণ হয়েছে। নদীর নাব্যতা ও প্রশস্থতা হারিয়েছে। তাই দ্রুত এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা সুফি মিয়া বলেন, নদী খনন করে গভীর ও প্রশস্থতা বাড়ানো হলে নৌযান চলাচলে কোনো অসুবিধা হবে না। এই জন্য আগে নদীর তীরের অবৈধ বসতিদের উচ্ছেদ করতে হবে। আলী আহসান বলেন, রক্তি নদীর তীরে সরকারি খাস জায়গায় এখন পাকা দালানকোঠা নির্মাণ হচ্ছে। অবৈধ বসতিরা মনে করেন এটা তাদের রেকর্ডিয় জায়গা। আমরা এই রক্তি নদীর তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানাই।
অবৈধ বসতি ময়না মিয়া বলেন, সকলে জায়গা দখল করে বসতভিটা গড়ে তোলেছে। তাই আমিও বসতভিটা ও দোকানপাট নির্মাণ করেছি। সরকার উচ্ছেদ করলে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। অবৈধ বসতি মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রক্তি নদীর তীরজুড়ে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। এই হিসাবে আমিও এক কেয়ার জায়গা দখল করে বসতভিটা করে আছি। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের নলুয়ারপাড় গ্রামে।
অবৈধ বসতি মোহাম্মদ ফাইজুল হক বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। আমি জানি এই জায়গা রক্তি নদীর তীরে অবস্থিত। এটা সরকারি খাস জায়গা। এটার শ্রেণী পরিবর্তন না করলে আমরা বন্দোবস্তের জন্য আবেদন করতে পারছি না। আমার বাড়ি গৌরারং ইউনিয়নের ফিরোজপুর গ্রামে। এছাড়াও সন্তোষ রায়ের একাধিক পাকা দোকানঘর ও টিপু মিয়ার দোকানঘর রয়েছে।
পৈন্দা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশীলদার শম্পা দাস বলেন, রক্তি নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা সরেজমিনে গিয়ে ব্যবস্থা নেব।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুলতানা জেরিন বলেন, আমি নতুন এসেছি। অভিযোগের বিষয়ে আমার জানা নেই। এখন বিষয়টি জেনেছি। তাই সরেজমিন গিয়ে ব্যবস্থা নেবো।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
কাঁচা মরিচের ‘ঝালে’ নাকাল ক্রেতা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা

কাঁচা মরিচের ‘ঝালে’ নাকাল ক্রেতা প্রতি কেজি ৩০০ টাকা